• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:৫৫:৪৮
  • ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:৫৫:৪৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ভাইরাসে টইটুম্বুর সমুদ্রের পানি!

ছবি : সংগৃহীত

পৃথিবীজুড়ে বিরাজমান সমুদ্রের পানিতে প্রায় দুই লাখ বিভিন্ন রকমের ভাইরাস রয়েছে। সমুদ্রের ৪ হাজার মিটার গভীর থেকে শুরু করে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু- সর্বত্রই ভাইরাসে টইটুম্বুর পানি। এর বেশির ভাগই মানবদেহের জন্য কম ক্ষতিকর। তবে এগুলো বড় রকমের আক্রমণ করতে পারে জলজপ্রাণীর, যেমন তিমি ও কঠিন আবরণযুক্ত প্রাণীর।

ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক বিশ্বের প্রায় ৮০টি স্থান থেকে সমুদ্রের পানির নমুনা সংগ্রহ করে তার ওপর গবেষণা করেছেন। গবেষণার ফলাফল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি।

এতে বলা হয়েছে, সবেমাত্র বিজ্ঞানীরা অনুধাবন করতে শুরু করেছেন কিভাবে এসব ক্ষুদ্র অনুজীব সমুদ্রের জীবন ও রসায়নের মধ্যে ভূমিকা রক্ষা করছে। এ জন্য ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা গবেষণায় নামেন। এর আগে যখন এ ধরনের গবেষণা হয়েছিল, এবার সমুদ্রের পানিতে ভাইরাসের পরিমাণ তার ১২ গুন বেশি।

গবেষকরা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এটা দেখতে পেয়ে যে, অবস্থান ও গভীরতার ওপর ভিত্তি করে ৫টি গ্রুপে অবস্থান করছে ভাইরাসগুলো।

বেলজিয়ামের কে ইউ লুভেন-এর গবেষক অ্যান গ্রেগরি বলেন, এসব ভাইরাসের জিন নিয়ে যখন আমরা গবেষণা করেছি, দেখতে পেয়েছি তারা সমুদ্রের বিভিন্ন জোনে কিভাবে জেনেটিকভাবে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেয়। ২য় বিস্ময়ের বিষয় হলো আর্কটিক মহাসাগরে রয়েছে প্রচুর বিভিন্ন রকমের ভাইরাস। এতে ধারণা করা হয় যে, এই অনুজীবের বৈচিত্র সবচেয়ে বেশি বিষুবীয় অঞ্চলে। 

বিশ্বের মহাসাগরগুলো ভাইরাসে পরিপূর্ণ। এর আগের গবেষণায় জানা গিয়েছিল জায়ান্ট মেরিন ভাইরাস সম্পর্কে। এগুলো সবুজ অ্যালগিকে আক্রান্ত করতে পারে। সমুদ্রের এক লিটার পানিতে বিরাজ করে কয়েক শত কোটি ভাইরাস। এর বেশির ভাগকেই এখনও সনাক্ত করা যায়নি। সর্বশেষ ডাটাসেট অনুযায়ী, এসব ভাইরাসের শতকরা ৯০ ভাগকেই পরিচিত গ্রুপের বলে শ্রেণিবিন্যাস করা যায়।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ভাইরাস সমুদ্র পানি

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0183 seconds.