• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৮ মার্চ ২০১৯ ০০:১৭:১১
  • ২৮ মার্চ ২০১৯ ০০:১৭:১১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

শীর্ষ ব্যান্ডগুলোর পছন্দের তালিকায় ‘ওরাকল ডাটাবেজ’

ছবি : সংগৃহীত

তথ্য সুরক্ষা ও উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করতে এশিয়ার শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলো বেছে নিয়েছে ওরাকলের অটোনোম্যাস ডাটাবেজ ওরাকল ওপেন ওয়ার্ল্ড সিঙ্গাপুর। এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটা বড় অংশ ওরাকলের তৈরি ‘অটোনোম্যাস’ (মনুষ্য দ্বারা পরিচালিত নয় এমন যন্ত্র) ডাটাবেজ স্থানান্তরিত করছে।

ওরাকলের এই ডাটাবেজ ব্যবসায়িক শিল্পের এমন এক ডাটাবেজ যা নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হয় এবং তথ্যের সুরক্ষা দিতে ও নিজের সমস্যার সমাধান নিজেই বের করতে সক্ষম। ফলে এই ডাটাবেজ ব্যবহারকারীরা একটি অর্থবহ সুসজ্জিত তথ্যের ভান্ডার উপভোগ করতে পারে যা অনেক দ্রুত ও সময় সাশ্রয়ী।

চলতি সপ্তাহে সিঙ্গাপুরে ওরাকলের প্রধান কার্যালয়ে ওরাকল ডাটাবেজ ব্যবহারকারী এশিয়ার জনপ্রিয় ১১ টি কোম্পানি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই ডাটাবেজ ব্যবহারের গুরুত্ব ও সুবিধা তুলে ধরেন। তাদের মধ্যে চীন থেকে বিট মেইন ও কিনগোল্ড, ফিজির ভোডাফোন, হংকং এর মাক্সিম গ্রুপ, অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ফার্মাসিজ অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড প্রিসিসন মেডিসিন এবং থাইল্যান্ড থেকে ফোর্থ স্মার্ট ও রাঙ্গসিত বিশ্ববিদ্যালয় ছিল।

ওরাকলের অটোনোম্যাস ডাটাবেজে ব্যবহার করা হয়েছে গ্রাউন্ড-ব্রেকিং মেশিন লার্নিং এবং অটোনোম্যাস যা এর কার্যক্ষমতা, সুরক্ষা ব্যবস্থা ও নির্ভুলতাকে নিয়ে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়। ফলে এই ডাটাবেজ নিজে থেকেই তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে কোন রকম মানুষের সহায়তা ছাড়াই। ওরাকল অটোনোম্যাস ডাটাবেজ ব্যবহারের সুফলতাগুলো বর্তমান গ্রাহকদের দ্বারা প্রমাণিত।

ওরাকল ক্লাউডের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট স্টিভ ডায়েভ বলেন, “ওরাকলের ৪০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল পণ্যগুলোর মধ্যে ওরাকল অটোনোম্যাস ডাটাবেজ অন্যতম। আজ আমরা বিশ্বজুড়েই অনেক গ্রাহক ও ব্যবহারকারী দেখতে পাচ্ছি যারা অটোনোম্যাস প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধাগুলো অনুধাবন করতে পারছেন। বর্তমানে প্রায় এক গ্রাহক ওরাকল অটোনোম্যাস ডাটাবেজ ক্রয় করে ব্যবহার করছে এবং এই ডাটাবেজের ট্রায়াল ভার্সনে শুধুমাত্র বছরের শেষ চতুর্থাংশে যুক্ত হয়েছে চার হাজার গ্রাহক। এই ডাটাবেজ ব্যবহার করে সুফল পেয়েছে এমন অনেক ঘটনার অহরহ নজির আছে এশিয়ায়।”

ফোর্থ স্মার্টের বিজনেজ ডেভেলপমেন্ট অ্যানালিস্ট পাওয়ারিত রুয়েং সুকল্পিপ বলেন, “ওরাকল অটোনোম্যাস ডাটাবেজ আমাদের জন্য ছিল একটা গেম-চেঞ্জার। এই ডাটাবেজের মাধ্যমে আমরা দেশজুড়ে এক লাখ বিশ হাজার টি ভেন্ডিং মেশিন পরিচালনা করি যেখানে প্রতিদিন প্রায় ২ মিলিয়ন ট্রানজ্যাকশন হয়।”

মাক্সিম গ্রুপের ইনফরমেশন টেকনোলোজি বিভাগের ডিরেক্টর লুইস মাহ বলেন, “আমরা হংকং, ম্যাকাও, মেইনল্যান্ড চাইনা ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ৭০ টি ব্র্যান্ডের ১৩০০ টি আউটলেট পরিচালনা করি। শুধু হংকং এ প্রতিদিন আমরা ৬ লক্ষের বেশি ট্রানজ্যাকশন করি যা পরিচালনা করা খুবই কষ্টকর। এই ডাটাবেজ আমাদের কাজ সহজ করে দিয়েছে।”

এছাড়াও ওরাকল অটোনোম্যাস ডাটাবেজের সফলতার গল্প শুনিয়েছেন ন্যাশনাল ফার্মাসিজ কর্পোরেটের এক্সিকিউটিভ জেনারেল ম্যানেজার রায়ান ক্লোজ, কিনগোল্ডের সিআইও স্টিভ চ্যাং, সোহো ও এসএমই রিসার্চের প্রধান অ্যানালিস্ট হোয়াই-জিয়ান তানসহ আরো অনেকে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ওরাকল

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0221 seconds.