• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২১ মার্চ ২০১৯ ২০:১০:২৭
  • ২১ মার্চ ২০১৯ ২০:১০:২৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ফাইভ জি নেটওয়ার্ক

ছবি : সংগৃহীত

১৫তম বেসিস সফটএক্সপো'র শেষ দিনে আজ ৫জি নিউ এরা ট্রান্সফরমিং আওয়ার লাইভস, সোসাইটি এন্ড ইন্ড্রাটিস শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিটিআরসির স্পেক্ট্রাম কমিশনার আমিনুল ইসলাম। মূল বক্তব্য প্রদান করেন জিএসএমের এশিয়া প্যাসিফিকের পরিচালক জনাব রাহুল সাহা, এরিকসনের বাংলাদেশ প্রধান আব্দুস সালাম এবং হুয়াওয়ে নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সিইও জ্যাং জ্যানজুন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  গ্রামীন ফোনের সিটিও রাধে কোভাচেভিচ এবং রবির সিইও জনাব মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।

বক্তব্যে বক্তারা বলেন, সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন। আর ডিজিটাল উন্নয়নের অন্যতম অবকাঠামো হলো ইন্টারনেট সংযোগ। এক্ষেত্রে এই অবকাঠামোগত উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ফাইভ জি নেটওয়ার্ক। ১০ জিবিপিএস গতি সম্পন্ন ফাইভ জি, ফোরজি এবং ৪.৫ জিবি ইন্টারনেট সেবা হতে ১০ থেকে ১০০ ভাগ উন্নত সেবা প্রদানে সক্ষম। লিটেনসি ১ মিলিসেকেন্ড। এর নের্টওয়ার্ক সক্ষমতা বাণিজ্যিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এ সম্ভাবনায় সারা বিশ্বেই ফাইভ জি আজ প্রযুক্তি উন্নয়নের ভবিষৎ হিসেবে আলোচ্য। বিশ্বের কিছু কিছু দেশে ইতোমধ্যে এ সেবার সুফল ভোগ করা শুরু হয়ে গেছে আবার কিছু কিছু দেশে চলছে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম। বাংলাদেশে ও শুরু হয়েছে ফাইভ জির সম্ভাবনাসহ সেবা প্রদান বিনিয়োগ এবং মার্কেট রেডিনেস নিয়ে আলোচনা এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ফাইভ জি রোল আউটে আমাদের অবস্থান, সরকারের উদ্যোগ, দেশের অবকাঠামোগত দিক থেকে এই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য আমরা প্রস্তুত কিনা এসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ফাইভ জি ব্যবহারে অন্যান্য দেশের উদাহরণ দিয়ে বক্তারা জানান, ফাইভ জিকে জনপ্রিয় করতে ইতোমধ্যেই থাইল্যান্ড একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্বান্ত অনুযায়ী দেশটির সরকারি সংস্থা, অপারেটর ও ভেন্ডরসহ সংশিষ্ট সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ৩ বছরের মধ্যে তারা টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিবে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের মোবাইল বাজারের কথা উল্লেখ করে তারা জানান, দেশের আমদানিকৃত মোবাইলের  ৫০ ভাগেরও বেশি অংশ ফিচার ফোন আমদানি করছে। যা নেটওয়ার্ক থ্রিজি, ফোরজি, ফাইভ জি সেবার সুবিধাভোগের ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা হতে পারে।

বক্তারা বলেন, সর্বত্র বাধাহীন সংযোগ, নেটওয়ার্ক ইকোনমিক্স এন্ড ইনোভেশন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রান্সফরমেশন, ম্যাসিভ আইওটি এন্ড ক্রিটিকাল কমিউনিকেশন এবং ব্রডব্যান্ড এনহান্সড করাই ফাইভ জি সেবার মল সুবিধা।

আরো বলা হয়, বর্তমান সময়ের মোবাইল গ্রাহক এবং স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা চায় ডাটা সেবা এবং এই সেবা প্রদান সহজীকরণে ফাইভ জি সেবার প্রয়োজনীয়তাই এখন আলোচ্য।

তারা আরো বলেন, এক্ষেত্রে দেশের জাতীয় আয়ে মোবাইল ইন্টারনেটসহ মোবাইল সেবার অবদানের কথা উল্লেখ করে আলোচকরা বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ১০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং এর সংখ্যা ক্রমবর্ধমান সেই সাথে বাড়ছে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যাও। বাজার বাড়ছে তাই আমরা মনে করি ফাইভ জি সেবা চালু হলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ সমগ্র দেশকে একটি উচ্চমানের ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করা যাবে যা দেশের অর্থনীতিকে আরো সমৃদ্ব করবে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ফাইভ জি নেটওয়ার্ক

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0189 seconds.