• বাংলা ডেস্ক
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২০:০৮:৩৬
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২০:১১:৩৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

বিশ্লেষকদের ভাবনা

আঞ্চলিক হম্বিতম্বি, নাকি সত্যিকারের যুদ্ধপরিস্থিতি?

বুধবার কাশ্মীরের বুদগামে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের পাশে ভারতীয় সেনারা। ছবি : রয়টার্স

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে গত দুদিন ধরে যা ঘটছে তা কি আসলেই কোনো যুদ্ধপরিস্থিতির দিকে এগুচ্ছে? নাকি শুধু শুধু আঞ্চলিক হম্বিতম্বি? বিশ্বেষকরা আশঙ্কা করছেন, কাশ্মীর নিয়ে নতুন এই ঘটনা বৈশ্বিক সংঘাত শুরুর সূচনা হতে পারে।

একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, পাকিস্তানের ভেতরে ভারতের হামলা একটি পরিকল্পিত উসকানি। আর ভারত যদি তার দেশের নির্বাচনী খেলা হিসেবে এটি না খেলে থাকে তবে এ ঘটনা বিশ্বের বড় বড় শক্তিগুলোকে যুদ্ধে টেনে আনবে।

নিউজিল্যান্ডভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক দারিয়ুস শাহতাহমাসেবি বলেন, ‘কী হতে পারে বলে তারা (ভারত) আশা করেছিল? তারা ভালভাবেই জানে, পাকিস্তানের তার নিজের অঞ্চল রক্ষার অধিকার আছে। ভারত কী অর্জনের আশা করছে?’

‘হয় ভারত একটা ভাষ্য তৈরির চেষ্টা করছে, দেশের মানুষকে বোঝঅতে চাইছে তারা কাশ্মীর নিয়ে কিছু-একটা করছে। অথবা তারা সত্যিকার অর্থেই পরিস্থিতি আরও এগিয়ে নিতে চাচ্ছে, কারণ তারা জানে পাকিস্তান জবাব দেবে,’ বলেন দারিয়ুস।

পাকিস্তান বুধবার শান্ত থাকার কথা বলেছে, যদি তারা আবার আঘাত হানে, তবে ভারত একটা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করতে পারে। দারিয়ুস বিশ্বাস করেন, দেশ দুটি যদি তাদের পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভার দূরে রেখেও প্রথাগত যুদ্ধে নামে তবে তারও প্রভাব হবে বৈশ্বিক।

দারিয়ুস মেন করিয়ে দেন, সৌদি ভূ-রাজনীতির সেতুবন্ধন হলো পাকিস্তান। আর ভারত হলো উঠতি সুপার পাওয়ার, তারা পশ্চিমা মিত্রদের ওপর নির্ভর করতে সক্ষম। অন্যদিকে চীনের কাছে এই অঞ্চল হলো তার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড প্রকল্পের প্রধান চালিকাশক্তি।

‘এটা কোনো ছোট সংঘাত নয় যে বাকি বিশ্ব চোখ বন্ধ করে থাকতে পারে। এটা চীনকে টেনে আনবে, সৌদি আরবকে আনবে, যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে আনবে যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়,’ বলেন দারিয়ুস।

তবে ভারতের কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আজাই সাহনি মনে করেন, ‘উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়টি ঠেকানো যাবে না, তবে তা যুদ্ধে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা কম। ২০১৬ সালে ভারতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর যেমনটি হয়েছিল, এবারও তেমনটি হতে পারে।

আর ভারতের অবসরপ্রাপ্ত লেপটেন্যান্ট জেনারেল এইচএস পানাং মনে করেন, আমরা পাকিস্তানের কোর্টে বল পাঠিয়েছি, তাদের কী জবাব হয় তার ওপর নির্ভর করছে আমরা কী পদক্ষেপ নেব। পরিস্থিতি এখনও অজানা।’

সূত্র : আরটি, স্ক্রল

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ভারত পাকিস্তান

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0224 seconds.