• বিনোদন প্রতিবেদক
  • ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ২১:৪০:৪৬
  • ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ২১:৪৫:৩৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে সেলিম আল দীনের নাটক নিয়ে ভোলা থিয়েটার

ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমির আমন্ত্রণে আগামী ৫ ডিসেম্বর (বুধবার) ভোলা থিয়েটার মঞ্চস্থ করবে আচার্য সেলিম আল দীন এর নাটক “গ্রন্থিকগণ কহে”।

এটি ভোলা থিয়েটারের ২০তম প্রযোজনা। নোয়াখালীর জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে “শিল্পকলা পদক” প্রদান অনুষ্ঠানে এই নাটকটি প্রদর্শনের জন্য ভোলা থিয়েটারকে আমন্ত্রণ জানানো হয় বলে জানান জেলার কালচারাল অফিসার জনাব এস.এম.টি কামরান আহসান।

জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জনাব তারিকুল আলম এর সভাপতিত্বে নোয়াখালী জেলার জেলা প্রশাসক জনাব তন্ময় দাস পদক প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে এবং পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ইলিয়াছ শরীফ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের প্রথমভাগে ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের ৫জন করে ১৫ জন গুণীজনকে শিল্পকলা পদক প্রদান করা হবে। দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যা ৬.৩০টায় মঞ্চস্থ হবে নাটক “গ্রন্থিকগণ কহে”।

বাংলা নাটকে ড. সেলিম আল দীন-এর অবদান নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই। তাঁর মঞ্চনাটক নিয়ে ঢাকা থিয়েটার সহ দেশ ও দেশের বাইরের অনেক নাট্যদল এখনও সদর্পে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু তাঁর টেলিভিশন স্ক্রিপ্ট নিয়ে মঞ্চে কোন কাজ ভোলা থিয়েটার এর আগে কখনওই কেউ করেনি। “গ্রন্থিকগণ কহে” নাটকটি নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অন্যতম দর্শকনন্দিত নাটক ছিল। সে সময়ের খ্যাতনামা টেলিভিশন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রায় অধিকাংশই এই নাটকটিতে অভিনয় করেছিলেন। নাটকটি মঞ্চায়ন উপযোগী করার নিমিত্তে এর পান্ডুলিপি সম্পাদনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব রেজা মোহাম্মদ আরিফ এবং নির্দেশনা দিয়েছেন অনিক কুমার সাহা যিনি ঐ একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটক ও নাট্যতত্ত্বে স্নাতকোত্তর সম্মান শেষ করেছেন। 

বাংলাদেশের ক্রম ক্ষয়িষ্ণু যাত্রাদলের ভেতরের কথা নাট্যকার আচার্য সেলিম আল দীন তাঁর মঞ্চ নাটকগুলোর মতোই অনুপম লেখনীতে যেমন ফুটিয়ে তুলেছেন, তেমনি এই নাটকের কুশীলবেরাও আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন চরিত্রগুলোতে যথাযথ প্রাণ প্রতিষ্ঠা করার জন্য।

দ্বীপজেলা ভোলার খ্যাতনামা নাট্য সংগঠন ভোলা থিয়েটারের সভাপতি নাসির লিটন জানান, ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভোলা থিয়েটার এই সমাজের অসংগতিগুলোকে নাটকের মাধ্যমে সামনে আনার প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রেখেছে এবং “গ্রন্থিকগণ কহে” সেই প্রচেষ্টারই ভিন্নরূপ ফসল।

ক্ষয়িষ্ণু যাত্রাশিল্পের ধারা আজও গ্রামবাংলায় যে টিকে আছে, তার নেপথ্যের কুশীলবদের স্বরূপ উন্মোচনে আচার্য সেলিম আল দীনের শিল্পভাবনাকে সাথী করেই নাটকের মঞ্চ দৃশ্যপট নির্মিত হয়েছে বলে জানান নির্দেশক অনিক কুমার সাহা।

বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের অঙ্গ সংগঠন ভোলা থিয়েটারের ২০তম প্রযোজনা “গ্রন্থিকগণ কহে” নাটকটি সকল শ্রেণীর দর্শকদের ভালো লাগবে বলে আশা প্রকাশ করেন ভোলা থিয়েটারের সাধারন সম্পাদক অতনু করঞ্জাই।

বাংলা/এমটি

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0274 seconds.