• ফিচার প্রতিবেদক
  • ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ১৮:৪৩:৫২
  • ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ১৮:৪৩:৫২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

পেঁয়াজের খোসা ফেলে দেয়ার আগে একবার ভাবুন

পেঁয়াজ। ছবি: সংগৃহীত

মাঝে মাঝে এমন হয় যে, আমরা যাদের অকেজো, নিরর্থক মনে করি তারা হঠাৎ বিস্ফোরক ঘটনা ঘটিয়ে তাক লাগিয়ে দেয়। জানান দেয় তার গুণের কথা। যেমন- পেঁয়াজের খোসার কথাই ধরুন না। মানে! আমাদের কাছে পেঁয়াজের খোসাও তো এতদিন বাতিলের দলেই ছিল। কিন্তু আজ থেকে আর থাকবে না। কেন জানেন?

কারণ পেঁয়াজ যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায়, তেমনি এর খোসা শরীরের একাধিক জোটিল রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে। জানেন কি এসব গুণাগুণের কথা? পেঁয়াজের খোসা দিয়েও বহু রোগের চিকিৎসা সম্ভব! তাহলে আর দেরি কেন। চলুন জেনে নেয়া যাক পেঁয়াজের খোসার নানা গুণাগুণ সম্পর্কে।

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে ঠাসা: এক গ্লাস জলে পরিমাণ মতো পেঁয়াজের খোসা সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে উঠে জলটা ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন চুলকানি এবং অ্যালার্জি সহ ত্বকের নানাবিধ প্রদাহ সৃষ্টিকারি রোগ একেবারে সেরে যাবে। কারণ পেঁয়াজের খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা অল্প সময়েই শরীরের যে কোনও জ্বালা বা প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

পোকা মাকড়দের দূরে রাখে: আপনার বাড়িতে কি মাছি, মশা এবং পোকা-মাকড়দের সংখ্যা বৃদ্ধি পয়েছে? তাহলে আজই এক গ্লাস জলে পরিমাণ মতো পেঁয়াজের খোসা চুবিয়ে সেই জলটা জানলা অথবা দরজার বাইরে রেখে দিন। এমনটা করলে দেখবেন সমস্যা কমে যাবে। কারণ পেঁয়াজের গন্ধে পোকা-মাকড়েরা আপনার বাড়ির ভিতরে ঢোকার সাহসই পাবে না।

চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে: স্নান করার পরে পেঁয়াজের খোসা ভেজানা জল দিয়ে ভাল করে চুলটা কয়েকবার ধুয়ে নিন। তাহলেই দেখবেন চুলের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসবে। সেই সঙ্গে স্কাল্পে ঘর বেঁধে থাকা নানাবিধ রোগের প্রকোপও হ্রাস পাবে। আসলে পেঁয়াজের খোসায় এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে যা চুলের অন্দরে প্রবেশ করে সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়: পেঁয়াজের খোসা দিয়ে একটু জুস বানিয়ে নিন। তাতে অল্প করে মধু বা চিনি মেশাতে ভুলবেন না। কারণ শুধু মাত্র পেঁয়াজের খোসা দয়ে বানানো পানীয়র স্বা বেশ খারাপ হয়। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করার পাশাপাশি যদি এই জুসটি খেতে পারেন, তাহলে শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা একেবারে কমে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক সহ একাধিক মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

ক্যান্সার বিরোধী: একেবারে ঠিক শুনেছেন! ক্যান্সার রোগের প্রসার আটকাতে পেঁয়াজের খোসার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এতে রয়েছে বিশেষ এক ধরনের এনজাইম যা শরীরে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি আটকায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট স্বাভাবিক কোষেদের বৃদ্ধি যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে ক্যান্সার রোগ শরীরে বাসা বাঁধার কোনও সুযোগই পায় না। এক্ষেত্রে প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেঁয়াজের খোসা দিয়ে বানানো চা খেতে হবে। তবেই মিলবে উপকার!

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

পেঁয়াজ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0173 seconds.