• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৩৪:১৬
  • ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৩৪:১৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

এয়ারপোর্ট নেই এসব দেশে

ফিলিস্তিন। ছবি: সংগৃহীত

দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে আধুনিক সময়ের অন্যতম যানবাহন হল বিমান। দীর্ঘ দূরত্বে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পৌঁছাতে হলে আপনাকে বিমানকেই বেছে নিতে হবে। তবে এই আধুনিক প্রযুক্তির সময়ে এমনও দেশ আছে যেখানে বিমানে চড়ে যাওয়া সম্ভব নয়। সেই দেশ গুলোতে কোনো এয়ারপোর্টই নেই।

বিশ্বে এমন ছয়টি দেশ আছে যেখানে কোনো এয়ারপোর্ট নেই। এয়ারপোর্ট না থাকায় ওইসব দেশে যেতে হয় পাশের দেশ ঘুরে, অর্থ্যাৎ পাশের কোনো দেশের এয়ারপোর্টে নেমে সড়ক পথে যেতে হয়।

ভ্যাটিকান সিটি
সিসতাইন চ্যাপেল ও সেন্ট পিটার্স প্রাসাদের দেশ ভ্যাটিকানে কোনো এয়ারপোর্ট নেই। ইতালির রোম এয়ারপোর্টে নেমে সেখান থেকে সড়কপথে যেতে হয় মাত্র ৪৬ হেক্টর আয়তনের ছোট্ট দেশটিতে।

সান মারিনো
পৃথিবীর পঞ্চম ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র সান মারিনোতেও কোনো এয়ারপোর্ট নেই। পর্বতময় দেশটির চারপাশে ইতালি। রিমিনি শহরের ফেলিনি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে নেমে সান মারিনোতে যেতে হয়।

মোনাকো
ইউরোপের আর এক ক্ষুদ্র দেশ মোনাকোতেও কোনো এয়ারপোর্ট নেই। তবে ফ্রান্সের নাইস কোর্ট ডি আনজুর ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে মোনাকো মাত্র ২৫ মিনিটের কার রাইড। তাই ফ্রান্স হয়েই মোনাকোতে যাওয়া ভালো।

লিচেনস্টেইন
পৃথিবীতে সবচেয়ে কম অপরাধের দেশ লিচেনস্টেইন। তবে সরাসরি ফ্লাইটে দেশটিতে যাওয়া যায় না। সুইজারল্যান্ডের গ্যালেন আলটেনহেইন এয়ারপোর্ট থেকে লিচেনস্টেইন এর ভেদুজ  এর দূরত্ব মাত্র ৩৮ কিলোমিটার।

এনডোরা
পিরেনিজ পর্বতমালার উপত্যকায় গড়ে ওঠা এনডোরাতেও কোনো এয়ারপোর্ট নেই। ফ্রান্স বা স্পেনে নেমে সড়ক পথে দেশটিতে যাওয়া যায়। তবে স্পেনের গিরোনা-কস্টা ব্রাভা এয়ারপোর্টই দেশটি থেকে কাছে।

ফিলিস্তিন
উপরের গুলোর মতো অতোটা ছোট না হলেও ফিলিস্তিনেও কোনো এয়ারপোর্ট নেই। ইসরায়েলের বেন কুরিয়ন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ফিলিস্তিনের মূল শহর বেথেলহেমের দূরত্ব ৪১ কিলোমিটার প্রায়।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

এয়ারপোর্ট

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0206 seconds.