• ফিচার ডেস্ক
  • ১১ মে ২০১৬ ১৩:৫৪:৪১
  • ০৬ জুলাই ২০১৬ ১২:৩৭:১৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

এলিয়েনের সাথে যোগাযোগ করবে মানুষ

এলিয়েনের সাথে যোগাযোগ করবে মানুষ! আর কিছুদিনের মধ্যেই তা সম্ভব হবে। প্রায় শেষ হয়ে এসেছে পৃথিবীর বৃহত্তম রেডিও টেলিস্কোপ তৈরির কাজ। আর তা সম্পূর্ণ শেষ হলেই ভিনগ্রহীদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালাবে মানুষ।

টেলিস্কোপ তৈরি করছে চীন। সম্প্রতি দেশিট নির্মিতব্য টেলিস্কোপটির আকর্ষণীয় কিছু ছবি ও ভিডিও ছবি প্রকাশ করে। যেখানে দেখা গেছে ৫শ’ মিটার ব্যাসার্ধের (গোলাকার অ্যাপারচার) রেডিও টেলিস্কোপটির কাজ প্রায় শেষের দিকে।

২০১১ সালে চীন ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ইয়েন অর্থাৎ ১শ’ ২৭ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয়ে এই রেডিও দূরবীণ তৈরির কাজ শুরু করে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গাইঝউ প্রদেশে এটি নির্মাণ হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে রেডিও টেলিস্কোপটিকে চালু করা হবে। তবে কর্তৃপক্ষের আশা, নভেম্বরের মধ্যেই একে সম্পূর্ণ চালু করা সম্ভব হবে।

শক্তিশালী বিশ্বের বৃহত্তম এই টেলিস্কোপ দিয়ে মহাশূন্যে গভীরভাবে অনুসন্ধান চালানো হবে। প্রতিবেশী মঙ্গল গ্রহ নিয়েও গবেষণা হবে। এমনকি মহাকাশের গ্রহাণু’র দিকেও নজর রাখবে FAST (Five-hundred-meter Aperture Spherical Radio Telescope)। এটি মহাবিশ্বের ১০ লাখেরও বেশি তাঁরা ও সৌরজগৎ থেকে নির্গত বেতার সংকেত চিহ্নিত করতে পারবে।

অসংখ্য শব্দ থেকে FAST প্রয়োজনীয়টি উদ্ধার করবে। এটি হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূর থেকে আসা সংকেতও ধরতে সক্ষম। এর মাধ্যমে মহাকর্ষীয় পদার্থবিদ্যা ও ডার্ক ম্যাটার নিয়েও গবেষণা করবেন বিজ্ঞানীরা।

মহাকাশ গবেষণার কাজেও রেডিও টেলিস্কোপটিকে ব্যবহার করবে চীন। এর মাধ্যমে মহাকাশে পাঠানো নভোযানের গতিপথও অনুসরণ করা হবে।

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেতার দূরবীক্ষণটি যুক্তরাষ্ট্রের পুয়ের্তো রিকো’তে অবস্থিত। আরেসিবো মানমন্দিরের ৩০৫ মিটার ব্যাসের বেতার দূরবীণটি এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বৃহত্তম একক অ্যান্টেনা।

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0228 seconds.